কওমী মাদ্রাসা ও দেওবন্দ হলো পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ তোষণের সুতিকাগার

লিখেছেন লিখেছেন মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ০৩ অক্টোবর, ২০১৩, ১২:৩৬:৫৪ রাত



বাংলাদেশে একটি শিক্ষাধারা কওমি মাদ্রাসা। এর শেকড় ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ। ১৮৬৮ সালে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশবিরোধী রাজনীতি, সংগ্রাম ও আন্দোলনের ভেতর দিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের প্রতিষ্ঠা হলেও সাম্রাজ্যবাদীদের প্রতি আনুগত্যের বহু নজীর রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটির। এমনকি সাম্রাজ্যবাদীদের অনেক কুফরীর বৈধতাও দিয়েছে এই দেওবন্দ । কওমী মাদ্রাসাগুলোর সাম্রাজ্যবাদী অপকর্মের প্রতি নিরব ও তোষামদী ভূমিকা তার-ই ধারাবাহিকতা মাত্র । এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তাই নিখাদ দেওবন্দী আদর্শ যতদিন কওমী মাদ্রাসাগুলো আঁকড়ে ধরে রাখবে ততদিন পর্যন্ত কওমী গোত্র থেকে কোন প্রতিবাদ আশা করা বাতুলতা মাত্র। তবে দেওবন্দী ধারার পরিশোধিত রূপ আফগানিস্তানের নারির প্রতি সহিংস আচরণকারী ওঅমানবিক আচরণ এবং পশ্চাদপদ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী তালেবানদের মধ্যে প্রকাশ পেলে সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে তাদের ভূমিকা সত্যি নজীরবিহীন ও প্রশংসার দাবিদার।



কওমী মাদ্রাসার দৃষ্টিতে এরা তেতুলের চেয়েও খারাপ । তেতুলও নয় কিন্তু এরা ।

৯/১১-এর পর কওমী মাদ্রাসার রহস্যজনক কার্যক্রম :

এ শিক্ষা ব্যবস্হার লোকরা নাকি তার জন্মলগ্ন থেকে বরাবরই সাম্রাজ্যবাদী, জালেম ও কুফরি অপশক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ নির্যাতিত-নিপীড়িত গণমানুষের পক্ষে লড়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, ৯/১১কে কেন্দ্র করে জর্জ বুশের ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধে’র আওতায় বাংলাদেশকে ফেলে এবং বাংলাদেশের তেল-গ্যাস-প্রাণবৈচিত্র প্রভৃতি প্রাকৃতিক সম্পদ লুট করতে পরাশক্তিগুলো মরিয়া হয়ে উঠেছে। অথচ এ ব্যাপারে দেশের বিভিন্ন মহল উদ্বিগ্ন হলেও কওমি মাদ্রাসা বা আলেম সমাজের তেমন মাথাব্যথা নেই। মাদ্রাসাগুলোর পক্ষ থেকে অন্যায়ের প্রতিবাদ-স্বরূপ দেশের স্বার্থে কোন সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং বা বিবৃতি আমাদের চোখে পড়ে নি।তারা জাকির নায়েক কাফের, বেশরম ও জাহান্নামী মেয়ে, তওবাতুন নুসুহার মতো অশালীন গল্প গুজব আর খিস্তি-খেউর নিয়ে ব্যস্ত এবং মানষিকভাবে প্রস্তুত হচ্ছেন অদুর ভবিষ্যতে এমন সব মসজিদের সাথে যুক্ত থাকার যেগুলোর অর্ধাংশে হিন্দুদের পুজা-অর্চনা-ভোগ-আরতি-যজ্ঞের ব্যবস্হা থাকবে । ।

কওমী মাদ্রাসার দেশপ্রেম বিরুধী কার্যক্রম :

ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামুদ্রিক অবস্থানগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ হওয়াই আধিপত্যবাদী, ব্রাক্ষ্মণ্যবাদী ও লোভী ভারত স্বাধীনতার পর থেকেই এ অঞ্চলের উপর সুকৌশলে দখল কায়েম করতে সদাতৎপর। এবং ভারতের সংগে বাংলাদেশের জনগণের একটা যুদ্ধ আরম্ভ হয়ে গেছে। ক্ষমতাসীন আ.লীগ সরকার শুরু থেকেই ভারতের সঙ্গে নতজানু সম্পর্ক বজায় রাখতে আপোষহীন। ক্ষমতাসীন সরকারের মত এদেশের কওমি মাদ্রাসা ও আলেম সমাজ এখনো নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তাহলে কি আমরা ধরে নেব আলেম সমাজও ভারতের সম্প্রসারণবাদী রাজনীতির পক্ষে একমত? জন্মভূমি, ইসলাম এবং অধিকারহারা মানুষের জন্যে তারা কিছুই করবেন না? তারা তাদের লেখাপড়া ও কার্যক্রম মাদ্রাসার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবেন?

অত্যাচার নির্যাতনকে সমর্থন প্রদান :

ক্রসফায়ায়ের নামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী বাহিনী যখন বেছে বেছে একের পর এক রাজনৈতিক কর্মীদের বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা ও গুম করে চলেছে তখনও এসব আলেম চুপচাপ থাকছেন। দারুল উলুম দেওবন্দ একটি রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন দেখা যাচ্ছে দেওবন্দপন্থী আলেমগণ রাজনীতির ব্যাপারে নিস্পৃহ।কারণ একটাই, সনদের স্বীকৃতি এবং নিজেদের দুনিয়াবী স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ।



মাদ্রাসাগুলোর বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তার দৈন্যকে লালন পালন :


এই যুগে মাদ্রাসাগুলোর বহুমাত্রিক চিন্তার দৈন্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে । বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার প্রায় চার দশকের মাথায় এসেও দেখা যাচেছ কওমি মাদ্রাসাগুলোর পাঠ্যপুস্তকে অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ভূগোল প্রভৃতি বিষয় যেমন অনুপস্থিত । তেমনিভাবে মাতৃভাষা বাংলার প্রতিও রয়েছে কিছুটা অবহেলা। তবে ইদানীং কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের আওতায় নিচের শ্রেণীগুলোতে বাংলা পাঠ্যপুস্তক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা প্রদান :

কয়েক বছর আগে সরকার ‘কওমি মাদ্রাসাগুলো জঙ্গি প্রজননকেন্দ্র’ বলে ঘোষণা দিয়ে জঙ্গি ধরার অভিযানে নেমেছিল। তখন মাদ্রাসাগুলো থেকে সম্মিলিত আওয়াজ উঠল না, না আমরা জঙ্গি না। আমরা জঙ্গিবাদ সমর্থন করি না। ইসলাম নিরীহ মানুষহত্যা সমর্থন করে না। আমরাও আপনাদের মত জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে চাই। ইসলাম শান্তির ধর্ম.....।

আমরা একটু ভেতরে খতিয়ে দেখলে দেখতে পাব পিঠ বাচানোর জন্য কওমি মাদ্রাসার দেয়া বক্তব্য আর দুনিয়াব্যাপী নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের দুশমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসলামের যে ব্যাখ্যা দেয়, তা হুবহু একই রকম। যারা ইসলামের এ ধরনের শান্তিবাদী ব্যাখ্যা দেয় তাদের ব্যাখ্যা ভুল। তারা খুবই কৌশলে ইসলামের বিপ্লবী, সংগ্রামী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী চেহারা পর্দার আবরণে ঢেকে ফেলতে চায়।

ইসলাম কখনোই ‘শান্তি’র ধর্ম ছিল না। ইসলাম সবসময়ই ‘শান্তি প্রতিষ্ঠা’র ধর্ম। এবং সময়ানুগ ও প্রগতিশীল। ইসলাম নিছকই মাদ্রাসা-মসজিদে চর্চিত ধর্ম নয়। বাংলাদেশে যা আমরা দেখছি। বরং নাগরিকের অর্থজীবন, রাজনীতি, রাষ্ট্র, সামাজিকতা সবই ইসলামের মধ্যে রয়েছে। ইসলামের সুদীর্ঘ ইতিহাস পাঠ করলে আমরা একথা জানতে পারি। কিন্তু দু:খের কথা এই যে, ইসলামপন্থিগণ বা আলেমউলামা এ ব্যাপারটা জনগণকে বোঝাতে বরাবরই ব্যর্থ হচ্ছেন।

ধর্মহীন শিক্ষা নীতিমালার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ :

এই লেখা যখন লিখছি তখন সরকার ধর্মহীন শিক্ষার নীতিমালা গোটা দেশে বাস্তবায়ন করতে যাচেছ।এবং শিক্ষামন্ত্রী জোড়ের সাথে বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদর ধর্মীয় পরিচয় জিজ্ঞাসা করা হলে শিক্ষকদের শাস্তির ব্যবস্হা করা হবে । ভাবতে অবাক লাগে, সরকারের এ সিদ্ধান্তে ধর্মপ্রাণ জনগণকে উদ্বিগ্নতা প্রকাশ পেলেও মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকেদেরকে আমার কাছে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত বলে মনে হচ্ছে না । এখন পর্যন্ত দেখা গেল না কোন মাদ্রাসার ছাত্রশিক্ষক ধর্মহীন শিক্ষানীতি প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। অথবা এবিষয়ে আলেমদের প্রতিনিধিদল সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন।

বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলোয় এখন যে 'ইসলাম' আছে বর্তমান তা পুরোপুরি সাম্রাজ্যবাদের আজ্ঞাবহ।



তেতুল তত্ত্বের জনক ও মেয়েদের ক্লাস ফাইভ পযর্ন্ত পড়ার উপকারীতার উপর প্রধান গবেষক



কিছু তেতুলের চেয়েও খারাপ জিনিসের ছবি যাদের দিগন্ত টিভিতে দেখানো হতো । কওমী মাদ্রাসার সংগঠণ হেফাজতের উপর নির্যাতন প্রচার করার জন্য তাদের আস্তানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে আমরা তাদের এখন আর দেখছি না । কওমী মাদ্রাসায় এমন জিনিস নেই । কারণ কওমী মাদ্রাসা বলে এদের অন্ধকার ঘরে আটকে রাখ । তবে তাদের গুরু মওদুদীকে কওমী মাদ্রাসার লোকরা আলু মধু কওদুদী বল্লেও তারা কিন্তু তাদের কিছু বলে না । অবশ্য আমি মওদুদীর দশর্ণ আমি নিজেও বিশ্বাস করি না । কারণ এরা নিজেরাই মওদুদীর দর্শন অনুসরণ করে লজ্জায় মুখ ঢেকে নিকাব পড়েনি । এজন্য আমি তাদের ছবি দিলাম । মান্যবর তেতুলের চেয়ে খারাপ জিনিসগুলো আবার শিগ্রই দিগন্তু টিভি-তে দেখা দিক - এটাই কামনা করি ।

অমুসলিম শক্তি এদের প্রবর্তিত ইসলাম চায় :

গোটা দেশের মানুষ যদি মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে যায়, একেকজন মহান আল্লামা বনে যায়, তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কী যায় আসে? সৌদি আরব বা আরব রাষ্ট্রগুলোর মানুষ তো চেহারা-সুরতে, পোশাকে-লেবাসে হয়ত বা মনে-দিলে বাংলাদেশের মানুষের চেয়েও অধিক ধার্মিক। ধর্মচর্চাও সেখানে আমাদের দেশের চেয়ে বেশি হয়। কই, তাদের নিয়ে তো বারাক হোসেন ওবামার দেশের মাথাব্যথা নেই। যতসব চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র আমাদের এই ছোট্ট দেশকে নিয়ে ।

অমুসলিমদের লুন্ঠণ ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে সমর্থন দান :

মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে আঘাত লাগবে তখনই যখন এদেশের জনগণ তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, লুটতরাজ ও আগ্রাসী সামরিক অবস্থানের সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে। আমরা মাদ্রাসায়-মসজিদে ধর্ম চর্চা ও পালন করব, টুপি মাথায় পাঞ্জাবি গায়ে ঘুরে বেড়াব আর চোখ বুজে, দেখেও না-দেখার ভান করে তেল-গ্যাস-জীববৈচিত্র এমন কি শ্রমলুণ্ঠন এবং বহুজাতিক মোবাইল কোম্পানিগুলোর দেশের টাকা বিদেশে পাচার দেখে যাব এবং তাদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন । আমরা ধার্মিক-নাস্তিক এবং প্রতিক্রিয়াশীল-প্রগতিশীল সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত থাকব আর পশ্চিমা পরাশক্তি আমাদের বেকুবি দেখে আনন্দে বগল বাজাবে।

বহির্বিশ্বের ও দেশের মুসলিমদের উপর নির্যাতনকে সমর্থন দান :

এ ইসলামই এখন আমাদের দেশে চর্চা হচ্ছে। চলুক এভাবে পরাশক্তির তাবেদারগিরি করে। এই মুহূর্তে সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটছে। পুলিশ সন্দেজনকভাবে যাকে তাকে গ্রেফতার করে হাজতে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের উপর হেলিকপ্টার হতে গুলির খবরও প্রকাশ হচ্ছে । আরাকানে নির্যাতিত মুসলিম নারীর আত্ম চিৎকার শোনা যাচ্ছে । ১-১১ এর পর প্রায় ১০০ অমুসলিম ইসলাম ও কুরআন অবমাননা করেছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০ জন অমুসলিম শিক্ষক মুসলিম ছাত্রীকে অপবিত্র করেছে । যারা এদেশে ইসলামের মহান খেদমতগার আর হাক্কানী আলেম বলে দাবি করেন তারা এতোটা নির্বিকার কেন ? এসব দেখেও না দেখার ভান করছে কেন ? উত্তর একটাই । আখেরাতকে নষ্ট করে দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিল করা । এক নির্যাতিত নারীর করুণ হাহাকার শুনে মুহাম্মদ বিন কাসিম সুদূর আরব থেকে সিন্ধুতে এসে অভিযান চালিয়েছিলেন। জালেম বাদশাকে পরাজিত করে সেই নারীকে উদ্ধার করেছিলেন। মুহাম্মদ বিন কাসিমকে নিয়ে যারা গর্ব করেন সেই আলেমদের আজ এই দুরবস্থা কেন? তাদের ধমনীতে রক্তের তেজ ঠান্ডা হয়ে গেছে।

উপসংহার :

কওমি মাদ্রাসার তরুণদের বলছি ব্লগে অন্য ব্লগারদের খিস্তি-খেউর করা বাদ দিয়ে, আপনারা চিন্তা করুন, ভাবতে শিখুন, আর চুপ করে থাকবেন না। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর সাম্রাজ্যবাদী শক্তির শ্যেনদৃষ্টি এখন ইসলামপ্রধান দেশগুলোর ওপর। ফিলিস্তিন-ইরাক-আফগানিস্তান-পাকিস্তান এই ধারাবাহিকতায় এখন তাদের টার্গেট হলো বাংলাদেশ।আর এক বার ভেবে দেখুন, আপনারা কি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে থাকবেন না পশ্চিমা খ্রিষ্টান-ইহুদি আর হিন্দু ব্রাহ্মণ্যবাদী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পদ লেহন করবেন । আর তালেবানী পশ্চাদপদতা, কুসংস্কার, কুপমন্ডুকতা, গোড়ামী ছেড়ে বর্তমান যুগের বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে অবদান রাখুন এবং বিশ্ব সভ্যতার অংশিদার হোন ।



মান্যবর ভ্রাতা সকল ! জেনে রাখুন । ইহারা কিন্তু তেতুলের চেয়েও অতিশয় খারাপ ।





আরো কিছু তেতুলের চেয়েও খারাপ জিনিস যারা কি না বাংলায় কথা বল্লেও বাঙ্গালী নয় । কারণ তারা মাথা ঢেকেছে । মওদুদী আর কওমীদের মতে তারা নিষ্ঠাবান মুসলিম নয় । কারণ তারা নাকি মুখ না ঢাকায় ওয়াজিব বাদ দেওয়ার মতো গুনাহ করেছেন । আপনারা বিবেচনা করুন । এসব কথা কতটুকু গ্রহণযোগ্য ।

[ লেখাটি লেখা হয়েছিল ২০১২ সালে । এজন্য হেফাজত প্রসঙ্গ আসেনি । হেফাজতে ইসলামী কোন ধরণের সংগঠণ তা বোঝার জন্য আরো কয়েক বছর সময় নিতে হবে । আপাতত হেফাজত আর কওমী মাদ্রাসাকে এক করে দেখা যাবে না । ]

বিষয়: বিবিধ

১০৪৫ বার পঠিত, ১৮ টি মন্তব্য

পাঠকের মন্তব্য:

130574
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:০১
বিষুব আহমেদ লিখেছেন : পিলাচ
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:২৭
88821
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম লিখেছেন : আপনাকেও ধন্যবাদ ।
130576
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:০৪
গোলাম মাওলা লিখেছেন : একটা আবেদনঃ
সামনে চাকরীর পরীক্ষা এজন্য কত কত পড়াশুনা যে করতে হয় তার কোন সীমা নাই, সারাজীবন এ যেগুলো পড়লাম এখন দেখি সেগুলোর কিছুই কাজে আসে না পড়তে হবে সাধারন, দেশ বিদেশের সব তথ্য আর গানিত এর কথা তো বলার কিছুই নাই এমন প্রশ্ন দেখলেই মাথা ঘুড়ায়

এত এত বই পড়তে আর ভালো লাগো না, তাই বন্ধুরা মিলে প্রথমে শুরু করছিলাম একটা ওয়েব সাইট যার মূল উদ্দেশ্য ছিলো নিজেরা পড়ব আর সেটা অনলাইনে সংরক্ষন করে রাখব যাতে পরে যেকোন সময় যেকোন জায়গায় থেকে মোবাইল বা পিসিতে বসে অনলাইনে পড়াটা সেরে নেয়া যায়। তখন নিজেরাই চালাচ্ছিলাম পরে পরিচিতরাও এখানে এসে অনলাইনে প্রাকটিস করে, ভালোই সাড়া পাচ্ছিলাম দায়িত্ববোধটাও বেড়ে গেলো আমাদের শুরু করলাম পুরোদমে আজ প্রায় 3000+ প্রশ্ন নিয়ে আমাদের প্রশ্ন ভান্ডার সমাদৃত এবং প্রতিদিন বাড়ছে প্রশ্নের সংখা। আছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে মডেল টেস্ট যা পরীক্ষার জন্য অনেক সহায়ক। আমাদের সাইট সকল ডিভাইস ফ্রেন্ডলি পিসি, ল্যাপটপ, ট্যাব বা মোবাইল ডিভাইস সব থেকে আমাদের সাইট স্মুথলি ব্যবহার করা যায়।

তাই আজ আপনদের আমন্ত্রন জানাতে এলাম আমাদের অনলাইনে চাকরির প্রস্তুতির ভূবনে, আসুন দেখুন অনুশীলন করুন আর আপনার গুরুত্ব পূর্ণ মতামত প্রদান করুন

http://www.jobtestbd.com

০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:১৯
88819
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম লিখেছেন : আপনার এই মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই । ধন্যবাদ ।
130581
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:১৮
জেএফটি ইসলাম লিখেছেন : উপরের সুনদরীগন কি সবাই দেওবন্দ মাদ্রাসার ছাএী?
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:২৭
88820
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম লিখেছেন : না । ভাই । দেওবন্দ মেয়েদের পড়াশোনায় বিশ্বাসী নয় । কওমীরাও নয় । তারা মেয়েদের মুখ খোলা রাখতে দেয় না । আর মেয়েদের ঘরের মধ্যে আটকে রাখে । তবে ইদানিং ক্লাস ফাইভ পযর্ন্ত পড়াতে দিতে রাজি হয়েছে । আমার লেখাটা ভাল করে পড়ুন । আমি এখানে একটা বিশেষ মেসেজ দিতে চেয়েছি । আশা করি বিষয়টা ধরতে পারবেন । যদি না পারেন তাহলে বলছি : দেওবন্দী আর মওদুদীরা মেয়েদের নিকাব পড়তে বাধ্য করে । কিন্তু দেওবন্দী-কওমী-মওদুদীদের প্রিয় টিভি দিগন্ত আর ইসলামী টিভি । তবে মওদুদীরা পিস টিভিও পছন্দ করে । এই তিন টিভিতে মওদুদীরা রয়েছে । দেওবন্দী আর কওমীদের টিভি নেই । আমি বোঝাতে চাচ্ছি, তারা নিজেরাই তাদের শিষ্যগুরুদের নিয়ম মানে না । আমার মতে এসব মেয়েদের পোষাক পড়ার ধরণ ঠিক আছে । কিন্তু মওদুদী আর কওমীদের মতে মেয়েদের চেহারা প্রকাশ করা হারাম । ............. দেখুন । ভাইয়া । প্রতিটা মেয়েই সুন্দর । কাল মেয়েও সুন্দর । তবে আপনার না বোঝার মতো মন থাকতে হবে । তাছাড়া ইসলামের নিয়ম মেনে যে মেয়েই পোষাক পড়বে - তাকে সুন্দর দেখা যাবেই । কারণ কুরআনে সুন্দর হওয়ার জন্য পোষাক পড়ার কথা আছে । আর মেয়েদের গহণা-অলংকার পড়ার কথা আছে । যেহেতু এসব প্রসঙ্গ আছে - সেহেতু এগুলো ব্যবহার করা জায়েজ হবে । তবে মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে সব কিছুই ক্ষতিকর । এজন্য মেয়েদের অন্ধকার যুগের মতো সাজসজ্জা না করার কথা কুরআনে বলা আছে । এসব ছবিতে কোন মেয়েই কুরআনে বর্ণিত অন্ধকার যুগের মতো সাজ-সজ্জা করেননি ।
130588
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:২৮
জেএফটি ইসলাম লিখেছেন : ভাই ছবিগুলো মুছে দিন। আপনার প্রতিটি পোসটেই সুনদরীদের ছবির ছড়াছড়ি। প্রতেক ভিজিটরকে আপনি গুনাহে বাধ্য করছেন।


হাদীছে এসেছে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, فَزِنَى الْعَيْنَيْنِ النَّظَرُ وَزِنَى اللِّسَانِ النُّطْقُ وَالنَّفْسُ تَمَنَّى وَتَشْتَهِى وَالْفَرْجُ يُصَدِّقُ ذَلِكَ أَوْ يُكَذِّبُهُ ‘চোখদ্বয়ের যেনা হ’ল নারীর প্রতি তাকান। জিহবার যেনা হচ্ছে কথা বলা। প্রবৃত্তি (যেনার) আশা-আকাঙ্খা করে। আর লজ্জাস্থান তা বাস্তবায়ন করে অথবা তাকে যেনা থেকে বিরত রাখে’ (বুখারী হা/৬২৪৩; মুসলিম হা/২৬৫৭; মিশকাত হা/৮৬)।
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:৫২
88828
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম লিখেছেন : আমি দু:ক্ষিত । আমি মুছবো না । বুখারী শরীফ কেন অন্য যে কোন সহীহ হাদিসের অনেক হাদিস আমি ও আমার অনেক পরিচিত লোক গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন :সনদ সহীহ হলেও সে সব হাদিস অগ্রহণযোগ্য । তাদের অনেকগুলোই ভিত্তীহীন করা । ........... ইসলাম এত ঠুনকো নয় । নারীর দিকে তাকালে জিনা হয়ে যাবে । এই রাতে আমি ব্লগ লিখছি । সকাল ঘুম হতে উঠে গাড়িতে উঠবো । সেখানে দেখার চেয়ে আরো বড় ব্যাপার হয় তাহলে নারীদের সাথে একই গাড়িতে প্রতিযোগিতা করে উঠতে হয় । কর্মক্ষেত্রে নারীদের পাশে বসে কাজ করতে হয় । এসব নারী-পুরুষ সবাইর তদারক করতে হয় । আমার বিন্দুমাত্র জিনার চিন্তা জাগে না । কারণ শিক্ষা আর তার কর্মক্ষেত্র মানুষকে আলোকিত করে । মাদ্রাসাগুলো সত্যিকার শিক্ষা বলতে যা আছে তা নেই । এজন্য মাদ্রাসাতে ধষর্ক শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছে ।

আমার এক পরিচিত লোক ফেসবুকে কিছু সহিহ হাদিস সম্পর্কে স্যাটাস দিয়েছেন :

"অত্যাচারী শাসকদের বিরুদ্বে জিহাদ করার জন্য কুরানে আল্লাহ আমাদের আদেশ করেছেন (২-১৯০,১৯২,১৯৩;৪-৭৪,৭৫ ) ।

বেশ কিছু হাদিসে অত্যাচারী শাসকদের আনুগত্যের কথা বলা হয়েছে (বুখারী ২-২২৬৪,২২৬৫,৩-২৯২৬,৪-২৯৮৭)। এসব হাদিসের সারমর্ম হলো ,
আমার পরে এমনও শাসক আসবে যে যারা আমার প্রদর্শিত পথে তোমাদের পরিচালিত করবে না,আমার সুন্নাহও অনুসরন করবে না।সাহাবারা জিজ্ঞাসা করিলেন,ঐ সময় আমরা কি করবো?রাসুল(সাঃ) বলেন,"ঐসব শাসকদে...র কথা শুনবে ও তাদের আনুগত্য করব।তারা যদি তোমাদের আঘাত করে ও ধন-সম্পত্তি নিয়েও নেয়,তবুও তোমরা তাদের অনুসরন করবে।"

সৌদি আরবের অত্যাচারী শাসকদের দালাল ধর্মব্যবসায়ীরা এমন হাদিস কৌশলে প্রচার করছে । যেমন : আরিফী (যিনি যৌন জিহাদের কারিগর ) , ভারতের মতিউর রহমান মাদানী (সৌদি শাসকদের বিরোদ্ধে বিদ্রোহ করা হারাম । কারণ তারা নামাজ কায়েমসহ ইসলামের মৌলিক কাজগুলো চালু রেখেছে ।)

বন্ধুরা । অত্যাচারী শাসকদের বিরুদ্বে জিহাদ করার ব্যাপারে কুরানে আল্লাহ তায়ালা আমাদের আদেশ করেছেন । সেখানে বুখারী বা সিহা সিত্তাহর কুরআর বিরুধী হাদিস কোন ভাবেই মানা উচিত না । আমাদের মনে রাখতে হবে হাদিস সংকলনের কাজটি প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে । কারণ হাদিস সংকলীন হয়েছে রাসূল সা. ইন্তেকালের ২০০ বছর পর । তখনও অত্যাচারী শাসকরা রাজত্ব করতো । তারা তাদের স্বার্থে বা শাসকদের কথা চিন্তা করেও কিছু কুরআনের মর্মবানী বিরোধী হাদিস (রাসূলের নামে চালানো বা প্রচার করা অসত্য কথা ) প্রচার করা হয়েছিলো । সুতরাং আমাদের হাদিসগুলো নিয়ে সূক্ষ্মাতিসূক্ষভাবে গবেষণা করতে হবে ।"
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০২:১৩
88832
জেএফটি ইসলাম লিখেছেন : ভাই আপনি জামায়াত শিবির এবং কওমী,নারী,নিকাব এগুলো নিয়ে গবেষনা না করে সহীহ হাদিস সংকলনে নেমে যান। আদার ব্যাপারীর জাহাজের খবর!
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ১১:০২
89031
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম লিখেছেন : জেএফটি ইসলাম : সহীহ হাদিসের সংকলন তুরস্ক করেছে । সুতরাং বিষয়টা আদার ব্যাপারীর জাহাজের খবর হিসেবে আর নেই । আর আমি নিজেও করা শুরু করেছি । আমার মতে বুখারী শরীফে অনেক কুরআনবিরোধী কথা আছে এবং অধিকাংশ হাদিস বাস্তব জীবনে ব্যবহার হয় না । এই হাদিসগুলো মাদ্রাসার লোকরা বরকত লাভের জন্য পড়ে থাকে । যেমন : নামাজ ও নামাজের সময় সম্পর্কিত হাদিসগুলোর কোন চর্চা হয় না । বলা হয়ে থাকে এসব হাদিস মাযহাব ও ইমাম রহ.-এর দৃষ্টিভঙ্গিবিরোধী । প্রথিবীর অধিকাংশ মুসলিম কোন না কোনভাবে মাযহাব অনুসরণ করে থাকে । সুন্নী মুসলিমদের মধ্যে ৬১ % হানাফী মাযহাব অনুসরণ করে থাকে । হানাফী মাযহাবের প্রধান বই হলো : হেদায়া, শামী,আলমগীরী, কাদিখান,ফাতহুল কাদীর, কানজুদ্দায়েক -ই বইগুলো কওমী মাদ্রাসাগুলোতে বুখারী শরীফ হতে বেশী পঠিত হয় । সুতরাং এঅবস্হা এড়ানোর জন্য সহজবোধ্য ও যুগোপযুগী হাদিস সংকলনের প্রয়োজন রয়েছে ।
130595
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:৪২
জেএফটি ইসলাম লিখেছেন : ভাই, আললাহর কসম করে বলছি,বংলাদেশে যত দল আছে, তৎমধ্যে জামায়াত শিবির এবং কওমীওয়ালারা আমার কাছে খুবই প্রিয়। আপনি তাদের বিরুধে যতই লিখেন না কেন আমার মন গলাতে পারবেন ন।
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:৫৫
88829
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম লিখেছেন : আমিও আল্লাহর কসম করে বলছি : আপনি এসব পরিত্যাগ করুন । নিজের মেধা-যোগ্যতা-দক্ষতা-জ্ঞান-প্রজ্ঞাকে বিকশিত করুন । এই যুগে টিকে থাকতে হলে এসব প্রয়োজনীয় । ............ শিবিরের মুখপাত্র ছাত্র সংবাদ - এ এক সময় "ক্যারিয়ার গাইড লাইন" নামক একটা বিভাগে লিখতাম । সেখানে আমি এই কথাটাই বলার চেষ্টা করেছি । বাস্তবতা হলো : শিবির এই কথাটাকে গুরুত্ব দেয়নি । ....... বাকিটা আপনি বুঝে নিন ।
130607
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০২:০৮
নাবীল লিখেছেন : মেয়েদের চবি দেখতে যদি এতই ভালো লাগে আপনার । তাহলে দয়া করে আপনার স্ত্রী ও বোনের চবি পোস্ট করে দিবেন আমরা মন খুলে দেখবো।একটু লেখতে পারেন বিদায় দেখাচ্ছেন তাইনা।না আপনার রক্তে নাস্তিকের ছোয়া আছে।।।
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০৯:৫৫
89022
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম লিখেছেন : ফেসবুকে আমার বোনের ছবি থাকতে পারে । আর আমিও সম্ভবত শেয়ার করেছি । আর যেহেতু স্ত্রী নেই । সেহেতু শেয়ার করার প্রশ্ন আসছে না । যখন কেহ স্ত্রী হবে তখন হয়ত দেখতে পারবেন । আর আপনি কীভাবে আমাদের দেখবে - তা আপনার একান্তু নিজস্ব বিষয় । কথায় আছে না : Everything is everywhere, but nature selects.
130612
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০২:২৪
জেএফটি ইসলাম লিখেছেন : আপনি জামায়াতের কোন নেতার কিংবা ছাএী সংগঠনের মেয়ের বকা অথবা ছ্যাকা খাইছেন।
আমি ১০০% ওকে। (শুনছি মুজাহিদ থেকে)
০৩ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০৯:৫৩
89021
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম লিখেছেন : শোনা কথায় কান দিতে নেই । কারণ শোনা কথার অধিকাংশই সঠিক হয় না । আপনার কথা সঠিক নয় । বরং আমি নিজেই জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকে বকা দিয়েছি । আর কোন ছাত্রী সংগঠণের মেয়ে তো দুরে থাক কোন মেয়েই আমাকে ছ্যাকা দেয়নি । বরং ইসলামী ছাত্রী সংস্হার কিছু মেয়ে আমার সাথে বিতর্ক (বাহাস)-এ পরাজিত হয়ে এই সংগঠণ পরিত্যাগ করেছে । তবে তারা প্রেম করার মতো মেয়ে ছিল না । তারা অনেক বড় হতে চায় । কিন্তু এই সংগঠণ তাদের জন্য গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছিলো ।তাদের অবস্হা ছিল : তারা না পারছে এই সংগঠণ ছাড়তে বা না পারছে এই সাধারন মেয়েদের মতো চলাফেরা করতে । তাদের অনেকের কথা আমাদের দেখলে লোকরা সাভাবিকভাবে নেয় না । আর আজে বাজে কথা বলে । উপরন্তু আমরাও সাভাবিকভাবে মিশতে পারি না । মনে হচ্ছিলো আমরা সমাজ হতে বিচ্ছিন্ন । মাঝে মধ্যে মাঝ বয়সী অনেক লোক আমাদের সন্ধ্যার পর সংগঠণের কাজ করে বাড়িতে ফিরার সময় বাজে কথা বলে । তারা আমাদের বাজে ও নষ্ট মেয়ে মনে করে থাকে ।

আপনার কথা যদি সঠিক হতো, তাহলে প্রমাণ হতো ইসলামী ছাত্রী সংস্হার মেয়েরা বিবাহ বহির্ভুত প্রেম করে এবং ছেলেদের ছ্যাকা দেয় ।


মুজাহিদ লোকটা কে । তাকে আমি চিনি না । তবে ফেসবুকে মুজাহিদ নামে একটা লোক আছেন । তাকে তো আমি ভাল লোক বলেই মনে করি ।
134317
১৬ অক্টোবর ২০১৩ রাত ১১:২৮
আলোর দিশা লিখেছেন : @মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামঃ
আপনি আপনার প্রতি করা মন্তব্যের এক জবাবে উদাহরণ দিতে গিয়ে লিখেছেন। " যেমন : আরিফী (যিনি যৌন জিহাদের(!) কারিগর )! "
কাফির-মুশরিকরা সিরিয়ার মুজাহিদদের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে আপনি তাতে শরীক হয়েছেন, হয় জেনে অথবা না জেনে। যদি আপনি না জেনে লিখে থাকেন তাহলে দেখে নেন সত্যটা কী ?
শায়খ মুহাম্মাদ আরেফী কখনোই এই বক্তব্য দেন নি। আল-জাজিরার সাক্ষাৎকারে তিনি কী বলেছেন দেখুন...

[যৌন জিহাদের ব্যাপারে শায়খ মুহাম্মাদ আরেফীর বক্তব্য] " তা পাঁচ ছয় লাইনের একটি মেসেজ, সর্বসাকুল্যে যা তিন শতাধিক শব্দে লেখা। সম্ভবত এটা ফটোশপের কারসাজি। আমাকে ফাঁসানোর জন্য এটা করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, যুবতী মেয়েরা মুজাহিদদের সাথে সিরিয়ায় সময় ব্যয় করবে। কাউকে চার ঘন্টার জন্য বিয়ে করবে, তাকে ছেড়ে অন্যজনকে আবার চার ঘন্টার জন্য বিয়ে! কোন দ্বীনি জ্ঞানের কোন ছাত্রের তো দূরের কথা, সাধারণ কোন বিবেকবান ব্যাক্তিও এটাকে যায়েজ বলতে পারে না। মেয়েটির ওয়ালি কোথায়? কোথায় তার তালাক বা ইদ্দত? এমন আরো অনেক প্রশ্ন উঠবে এখানে। এ [ফতোয়া] সম্পূর্ন বানোয়াট, মিথ্যাচার। আমি হতবাক কিভাবে কিছু পত্রিকা, মিডিয়া জঘন্য এই মিথ্যাচারকে প্রকাশ করল। আমি আমার ব্যক্তিগত ফেইস বুক, টুইটার, ওয়েব-সাইট ও টিভি প্রোগ্রামে বলেছি এটা নোংরা জঘন্য মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই না।" (সূত্র: আল-জাজিরা)
ভিডিওতে দেখুন,
Click this link

আর সিরিয়ায় নারীরা কী করছে দেখে নেন...
"সিরিয়ায় ব্রিটিশ নারীরা জিহাদে যোগদান করছে(চ্যানেল ফোর)"

Click this link (চ্যানেল ফোর)

ইউটিউবে ভিডিওর লিংক
Click this link

ছবি এডিট করে ব্যবহার করেছে কুফফাররা । আসল ছবি দেখেন
Click this link
সিরিয়ায় আমাদের অনেক বোনেরা সরাসরি জিহাদে অংশগ্রহণও করেছে...


সিরিয়ায় জিহাদরত উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রা. ব্রিগেড

সুতরাং মুজাহিদদের বিরুদ্ধে ইসলামের দুশমনদের সাথে প্রচারণায় অংশ নিয়ে নিজেকে ইসলামের দুশমনদের অন্তর্ভুক্ত করে নিবেন না প্লিজ !
১৭ অক্টোবর ২০১৩ রাত ০১:৩৮
91916
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম লিখেছেন : আমি আপনার সাথে একমত নই । কারণ সিরিয়াতে যৌন বিকারগ্রস্হ সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাস করছে । আর এক্ষেত্রে সৌদি আরব ও অমুসলিম শক্তি মদদ দিচ্ছে । ফেসবুকে তিউনিসিয়ার লোক রয়েছে । মিসরের লোক রয়েছে । প্রয়োজনে তাদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন ।

উপরন্তু এই ব্লগেই এক আলেম যৌন জিহাদ বলে কিছু একটা আছে তা স্বীকার করেছেন । তিনি বিষয়টাকে যৌন জিহাদ না বলে বলেছেন মুতা বিয়ে ।


তাছাড়া আপনি এই লেখাটা : সৌদী ফতোয়ায় সিরিয়ায় তিউনিশিয়ান মেয়েদের যৌন জিহাদ -- একটি দীর্ঘ অনুসন্ধানী পোষ্ট http://www.bdtomorrow.net/blog/blogdetail/detail/6252/amin20002000us/27827 দেখতে পারেন ।

যৌন জিহাদের পক্ষে লিখতে যেয়ে একজন লিখেছেন : এই অস্থায়ী বা সাময়িক বিয়ের অনেক নিয়ম কানুন ও বাধা-নিষেধ আছে। এটা শুধু মাত্র একটা যৌন-লেনদেন নয়।
বিস্তারিত জানতে দেখুন : http://www.bdtomorrow.net/blog/blogdetail/detail/4038/drazad/27462

পরিশেষে বলছি : আপনার ছবিগুলো ফটোসেশন মাত্র । যুদ্ধ অংশগ্রহণকারী কোন মেয়ের পোষাক এমন হয় না । এধরনের পোষাক পড়ে যুদ্ধ করা যায় না । তাছাড়া আন্তজার্তিক আইনেও যুদ্ধের পোষাক হিসেবে এই পোষাক স্বীকৃত নয় ।
আমার বসনিয়া আর কসোভা যুদ্ধের ব্যাপারে ধারণা বা অভিজ্ঞতা আছে । বসনিয়ার যুদ্ধে ৩০ হাজার মুসলিম মহিলা অংশ গ্রহণ করেছিলো । তাদের কেহই এমন পোষাক পড়েনি । কারণ যুদ্ধের জন্য এধরনের পোষাক অনুপযোগী ।




বসনিয়া যুদ্ধের মহিলা যোদ্ধার ছবি আমি সোনার বাংলা ব্লগে শেয়ার করেছিলাম এবং বসনিয়া যুদ্ধের কৌশলও তুলে ধরেছিলাম ।

আমি যুদ্ধ অংশগ্রহণকারী মেয়েদের নিয়ে গবেষণাধর্মী বেশ কিছু লেখা লিখছি । যুদ্ধে স্মরণাতীত কাল হতে মেয়েরা কোন ধরনের পোষাক পড়তো সেসব তথ্যও আমি সংগ্রহ করেছি । "যুগে মুসলিম নারী যোদ্ধা" শিরোনামে আমি ধারাবাহিক লেখা এই সাইটেই লিখে যাচ্ছি । আমার এসব লেখা দেখতে পারেন ।

মন্তব্য করতে লগইন করুন




Upload Image

Upload File